বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই তিন নতুন ক্রিকেটারকে অভিষেক করাতে যাচ্ছে পাকিস্তান। ২০২৭ বিশ্বকাপ সামনে রেখে তরুণদের ওপর ভরসা রাখছেন শাহিন আফ্রিদি।
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের গ্লানি মুছে নতুন করে পথচলা শুরু করছে পাকিস্তান। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আজ (১১ মার্চ) বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছে সফরকারীরা। ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সিরিজের প্রথম ম্যাচেই তিন নতুন ক্রিকেটারকে মাঠে নামানোর ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।
তিন নতুন মুখের অভিষেক
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি স্পষ্ট করেছেন যে, দল থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের সুযোগ দিতেই এই পরিবর্তন। প্রথম ম্যাচে সম্ভাব্য যে তিনজনের অভিষেক হতে যাচ্ছে তারা হলেন—টপ পারফর্মার সাহেবজাদা ফারহান, ওপেনার হাসিবুল্লাহ এবং ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতে আসা শামিল হোসেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে এই তরুণরা জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন।
পেস আক্রমণ ও উইকেট কন্ডিশন
পাকিস্তানের চিরচেনা শক্তির জায়গা হলো ফাস্ট বোলিং। দলের কোচ মাইক হেসন পিচে কিছুটা ঘাস থাকার আভাস দিয়েছেন। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে পেসারদের দিয়েই টাইগারদের উইকেট তুলে নিতে চান আফ্রিদি। অধিনায়ক বলেন, “পাকিস্তান সবসময়ই ফাস্ট বোলিংয়ের জন্য পরিচিত। আমরা পেসারদের নিয়েই এগোব, তবে স্পিনারদের ভূমিকাও ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ হবে।”
মোস্তাফিজকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা
বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান সফরকারী ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আফ্রিদি আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন। তিনি মনে করেন, পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মোস্তাফিজের মুখোমুখি হওয়ায় পাকিস্তানি ব্যাটাররা তাকে ভালো করেই চেনেন। তাই মোস্তাফিজকে নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা না করে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে চায় পাকিস্তান।
তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গড়া এই পাকিস্তান দল বাংলাদেশের মাটিতে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে এই সিরিজটি দুই দলের জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ

