তারেক রহমানের ঐতিহাসিক ঘোষণা: ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও বিমানবন্দর চালু!

দীর্ঘ এক যুগ ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত দেশবাসীকে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী জনসভায় এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, বরং এটি ভেঙে পড়া দেশ পুনর্গঠনের লড়াই। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে মানুষ যেভাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার হারিয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিমানবন্দর চালুসহ উত্তরাঞ্চলকে আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

কৃষক ও মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে তারেক রহমান ঘোষণা করেন বৈপ্লবিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ কর্মসূচি। তিনি অঙ্গীকার করেন, ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে এবং রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা সরকার নিজের কাঁধে তুলে নেবে। উত্তরাঞ্চলকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে চা এবং কলকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার বলিষ্ঠ বার্তা দেন তিনি।

বিগত শাসকগোষ্ঠী দেশের চিকিৎসাসেবা ও জনগণের মৌলিক অধিকার ধ্বংস করেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান এক মানবিক বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘হেলথ কেয়ারার’ নিয়োগ দেওয়া হবে এবং ঠাকুরগাঁওয়ে ক্যাডেট কলেজ, মেডিক্যাল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও আইটি পার্ক নির্মাণ করা হবে। ‘২৪-এর স্বাধীনতা রক্ষা করে এখন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সমালোচনার চেয়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বেশি বিশ্বাসী। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে তিনি সকল স্তরের মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা ও ধানের শীষে ভোট কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *